আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষিত করে অবৈধ ইটভাটা চলছেই

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ ইটভাটাগুলো যাতে কার্যক্রম শুরু না করতে পারে সেজন্য হাইকোর্ট থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে তা বাস্তবায়ন হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতায় উপেক্ষিত হাইকোর্টের নির্দেশনা। এ জেলায় চলতি মৌসুমে দেড় শতাধিক অবৈধ ইটভাটায় ইট তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যেখানে ব্যবহার হচ্ছে কৃষিজমি ও নদী তীরের মাটি। অবৈধ ইটভাটাগুলো ধীরে ধীরে ধ্বংস করছে বেঁচে থাকার পরিবেশ। ইটভাটার চিমনি দিয়ে বের হওয়া কালো ধোঁয়ার প্রভাব পড়ছে জনজীবনসহ গাছ ও কৃষিতে। তথ্যমতে, অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইট উৎপাদন ও ভাটা পরিচালনার মৌসুম। এই সময়ের মধ্যে লাইসেন্সবিহীন অসংখ্য অবৈধ ইটভাটা তাদের কার্যক্রম শুরু করে। ইটভাটা মালিক সমিতির তথ্যমতে, জেলায় ১৫৮টি ইটাভাটায় কার্যাক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৩টি জিকজ্যাক ও ৯৫টি চলছে খড়ির ভাটা।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৮ নভেম্বর দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা অবৈধ ইটভাটাগুলো যাতে কার্যক্রম শুরু না করতে পারে, সেজন্য ৭ দিনের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিভাগীয় কমিশনারদের পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এইচআরপিবি এর এক রিট আবেদনের নির্দেশনার আলোকে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। বিভাগীয় কমিশনারগণকে নিজ নিজ এলাকার অবৈধ ইটভাটার মালিকরা যাতে তাদের কার্যক্রম শুরু না করতে পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এবং ওই কার্যক্রম সম্পর্কে ১৫ ডিসেম্বরের আগে তাদের পদক্ষেপ সম্পর্কে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন উচ্চ আদালতের সেই আদেশ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে চলতি মৌসুমেও কার্যক্রম শুরু করেছে পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ সব ইটভাটা।

সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, উচ্চ আদালতের রায় বা আদেশ কার্যকর করার দায়িত্ব সরকারের। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা করবে।

এছাড়াও আইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া ইটভাটা স্থাপন, পরিচালনা কিংবা চালু করা যাবে না। তবে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে ইস্যু করা পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটার লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন করা যাবে না। আবাসিক, সংরক্ষিত ও বাণিজ্যিক এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর ও কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশপাশ ঘুরে বসতবাড়ির খুব কাছে ও কৃষি জমিতে অনেক ইটভাটা দেখা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অবৈধ ইটভাটাগুলো প্রশাসন ও প্রভাবশালী মহলকে নিয়মিত মাসোয়ারা দেয়। নামসর্বস্ব কিছু গণমাধ্যমকর্মীরাও নিয়মিত চাঁদা নেন ইটভাটা থেকে।

ইটভাটার মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এতদিন নিয়মিত চাঁদার বাইরেও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দিবস পালনসহ নানা উদ্যোগের জন্য চাঁদা দিতে হয়েছে তাদের। প্রতিবছর ডিসি ইউএনও’রা ইটভাটা মালিক সমিতির মাধ্যমে এলআর ফান্ড ও জাতীয় দিবসের পালনের নামে চাঁদা নিয়েছে। তবে এবার রাজনৈতিক দলের নেতাদের মাধ্যমে প্রশাসন ম্যানেজের চেষ্টা করছেন ইটভাটা মালিকরা।

সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তৃীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ প্রকৃতি ছাপিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে যাচ্ছে ইটভাটার চিমনি। আমবাগানের মধ্যেই গড়ে উঠেছে পরিবেশ বিধ্বংসী ইটভাটা। একটা ইটভাটা পেরুলেই চোখে পড়বে আরেকটি ইটভাটা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শেখ হাসিনা সেতুর উপর দাঁড়িয়ে দক্ষিণ দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে প্রায় ১৪টি ইটভাটা থেকে ধোঁয়া ছড়াচ্ছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনে লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ইটভাটা স্থাপন ও পরিচালনা করা যায় না এবং জ্বালানি হিসেবে ইটভাটায় কাঠের ব্যবহার নিষিদ্ধেরও বিধান রয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় নিবন্ধনহীন অবৈধ ইটভাটাগুলো কার্যক্রম শুরু করেছে। এমনকি ইটভাটাগুলো জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, জেলায় ১৫৮টি ইটাভাটায় কার্যাক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৩টি জিকজ্যাক ও ৯৫টি চলছে খড়ির ভাটা। এই ১৫৮ ইটভাটা মালিকই সমিতির সদস্য। তার দাবি, ৬৩টি জিকজ্যাক ইটভাটা লাইসেন্স প্রক্রিয়াধীন। অন্যগুলোর ব্যাপারে তিনি অবগত নন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, আমরা অবৈধ ইটভাটা বিরোধী অভিযান শুরু করেছি। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে আমাদের কার্যক্রম চলমান। হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত কি-না এমন প্রশ্নে জেলা প্রশাসক বলেন, যেকোন অবৈধ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আলাদা নির্দেশনার প্রয়োজন পড়েনা, আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমান্তজুড়ে পুশ-ইন ইস্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা দিয়ে নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কড়া নজরদারির কারণে অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও এ কাজে সীমান্ত এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে অর্থের প্রলোভনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্তে গিয়ে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন নতুন কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে। আগে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কিংবা স্থলপথে কড়াকড়ি ছিল, এখন সেখানে নদীপথকে ব্যবহার করে রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন একাধিক ঘটনার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র কিছু বাংলাদেশিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে ব্যবহার করছে বিএসএফ।

সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এসব পুশইনে সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একজনকে পুশ-ইন করতে পারলে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরু চুরিতে গণপিটুনির শিকার যুবকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।মঙ্গলবার (২ জুন) ভোররাতে উপজেলার গোহালবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিরোজ আলী (৪০) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পিটিআই কলেজ বস্তি এলাকার মৃত নুর নবীর ছেলে। তবে তিনি গত পাঁচ বছর ধরে শ্বশুরবাড়ি গোহালবাড়ি গ্রামে বসবাস করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে গোয়ালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. এমরান হোসেনের গোয়ালঘরে গরু চুরির চেষ্টা হচ্ছে বলে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করেন। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে ফিরোজ আলীকে আটক করা হয়। পরে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজ আলীকে উদ্ধার করে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।খবর পেয়ে ভোলাহাট থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

ভোলাহাট থানা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ