আজঃ বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আশায় বসতি

—কায়সার আহমেদ দুলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জীবনের পড়ন্ত বিকেল
ঝাপসা হয় আঁখি পাতা
হৃদয়ের গহীনে মলিন হয়
প্রেমের ব্যাকুলতা ।

সময় বদলায় আপন রূপে
কখনো সোজা পথ
কখনো বাঁকা পথে ,
বদলায় রূপ রস আশা
ছন্দ গন্ধ প্রেম ভালবাসা।

জীবন হয়ে ওঠে
নি:সঙ্গ পথের ছায়া
নিথর নিস্তব্দ জীবন
প্রেমহীন প্রাণহীন কায়া,
ফিকে হয়ে যায়
জীবনের চাওয়া পাওয়া ।

হারিয়ে যায় ভালবাসা
চারিদিক ফাঁকা
শূন্যতার মায়াজালে
প্রেমের ছবি আঁকা ,
আপনজনের পথ হয়
অমসৃন আকাঁবাঁকা ।

থমকে যায় প্রেমের লেনদেন
হারিয়ে যায় আপনজন,
কুয়াশায় ঢেকে যায়
জীবনের বন্ধন ।

দিনের আলো হারিয়ে যায়
রাতের গভীরে
রাতের তারা লুকিয়ে যায়
দিনের আসরে ।

হাতের উপর হাত রাখা
বাসরের বাহানা কতনা সহজ
সারা জনম বহন
কতনা যন্ত্রণার
অনন্ত দহন ।

জীবনের আলো নিভে যায়
মিটিমিটি জ্বলে
তবুও আশায় বসতি
অবুঝ মনের ছলে ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রকৃতি ও ফুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমের মুকুল সকল বকুল
সব ফুটেছে আজ।
রঙিন করে তুলবে ওরা
এই পৃথিবী আজ ।

বনে বনে গানে গানে
সব পাখিদের সুর
ফুলের বনে ছড়িয়ে দিচ্ছে
সকল অন্তঃপুর ।

বন পাখিরা মধুর সুরে
গাইছে উদাস গান,
তারই সুরে জেগেছে আজ
প্রকৃতির এই প্রাণ ।

কাঁঠালি ফুল ঘ্রান ছুঁড়েছে
ঐতো কাঁঠাল বনে ,
বাঁশের বনে চাঁদ উঠেছে
হাসছে চাঁদ বদনে ।

পথের ধারে সারে সারে
ফুটছে নানান ফুল
নাম জানিনা রঙ চিনিনা
দেখে হই মশগুল ।

সরিষা ফুলের রঙের মতো
দোদুল ফুলের রঙ ,
হিংসে ভুলে প্রকৃতি আজ
করেছে যে অঙ্কন ।

শিমুল ফুলে জবা ফুলে
রঙ করেছে এক ,
লাল গোলাপে পাপড়ি মেলে
বলছে কেমন দেখ !

এতো ফুলের ছড়া ছড়ি
এতো পাখির গান ,
না কোনো আজ দিচ্ছে সাড়া
শহীদ ভাইদের প্রাণ ।

:খ তোমায় দিয়ে দিলাম ছুটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দু:খ তোমায় দিয়ে দিলাম ছুটি আর কখনো ফিরে এলে চেপে ধরবো টুটি।
এক জীবনে ক’বার আসবে
লজ্জা কি তোর নাই?
অন্য কোথাও পাত্তা পাও না
আমাতে নাও ঠাই?
আবার ফিরে এলে বেটা দেখবি ঠেলা কারে কয়,
কত বার তোর কাছে মানব
পরাজয়?
আমাকে নরম পেয়ে চেপে ধরো ঘাড়ে
সন্তান যদি কস্ট দেয় ফেলে দিব তারে?
সব যদি না পারি তবে কিসের পিতা আমি,
কস্ট দিয়েও শান্তি পেলে কি আসে যায় তাতে,
প্রার্থনা মোর
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ