আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে বিএনসিসি ক্যাম্পিং অংশ নিল ২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ ক্যাডেট।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ আরেফিন নগরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর কর্ণফুলী রেজিমেন্টের উদ্যোগে সাতদিন ব্যাপী রেজিমেন্ট কালেক্টিভ ক্যাম্পিং-২০২৬ এর সমাপণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার এই অনুষ্ঠনে চট্টগ্রামের ২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন ক্যাডেটের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পিং এর সমাপণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন. সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য( ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান ও রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাদিকুর রহমান, পিপিএমএস, পিএসসি, রেজিমেন্ট অ্যাডজুটেন্ট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাহিদ হাসান শুভ এবং অংশগ্রহণকারী কলেজগুলোর বিএনসিসি পিইউও ও সেকেন্ড লেফটেন্যান্টদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিএনসিসি অফিসার, পিইউও, টিইউও, সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিভাসু’তে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সকাল ৯টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয় দিনের অনুষ্ঠানমালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শিরীন আক্তার, ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: ফয়সাল, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. একেএম সাইফুদ্দিন, পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলমসহ অনুষদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা শেষে ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। ফুড ফেস্টিভ্যালে সর্বমোট ১২টি স্টল ছিল। স্টলগুলোতে স্থান পায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক পিঠা ও হরেক রকম উপাদেয় খাবার। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল-ফ্ল্যাশমব, ইন্টার-ফ্যাকাল্টি শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

সিআইইউ’র শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান গুণগত শিক্ষাই একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনেস্কো’র বাংলাদেশ প্রধান ড. সুসান ভাইজ চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। রোববার বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এই সনদ তুলে দেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সঙ্গে একটি বিশেষ লেকচার সেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষা ও গবেষণা খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ অনুষ্ঠানে সিআইইউ’র চারটি অনুষদের মোট ১৪৫ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ডিন’স লিস্ট প্রাপ্ত ৮৩জন, ডিন’স মেরিট লিস্ট প্রাপ্ত ২৩জন, ডিন’স অনার লিস্ট প্রাপ্ত ২০জন, ভাইস চ্যান্সেলর’স লিস্ট প্রাপ্ত ১২জন এবং ভাইস চ্যান্সেলর’স অনার লিস্টে স্থানপ্রাপ্ত ৭জন শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাস এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান -এর আহ্বায়ক ড. রুবেল সেন গুপ্ত। প্রধান অতিথির পরিচিতি তুলে ধরেন বিজনেস স্কুলের ডিন ড. সৈয়দ মনজুর কাদের ।

সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার। কৃতী শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরাই একটি দেশের অগ্রগতির চালিকাশক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, গুণগত শিক্ষাই একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে। সিআইইউ সবসময়ই চেষ্টা করে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে। এই অ্যাওয়ার্ড সেই প্রচেষ্টার একটি স্বীকৃতি। সিআইইউ’র এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের উন্নয়নে তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে চারজন শিক্ষার্থী মঞ্চে এসে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, এই অনুষ্ঠান আমাদের প্রত্যেককে নতুন উদ্দীপনা দিয়েছে, আমাদের স্বপ্নকে আরও বড় করে তুলেছে। আমরা কৃতজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক ও প্রশাসনের প্রতি, যাঁরা আমাদের পাশে থেকে পথ দেখিয়েছেন। আজকের এই সম্মান আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি হয়ে থাকবে। এসময় শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ