আজঃ রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬

জি এস শোয়েব কাদের’সহ নবনির্বাচিত চন্দ্রঘোনা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র সকলকে সাজ্জাদ খাঁন এর অভিনন্দন ।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উত্তর চট্টগ্রামের “কাপ্তাইয়ের – রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তরুণ ব্যবসায়ী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক -সাবেক ছাত্রদল নেতা জি এস শোয়েব কাদেরসহ অসংখ্য তরুণ ব্যবসায়ী জয়লাভ করেছেন।

এদিকে দীর্ঘদিনের রাজপথের সহপাঠী প্রিয় বন্ধু ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রঘোনা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতিতে
সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জি এস শোয়েব কাদের’সহ নবনির্বাচিত সকল ব্যবসায়ীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আগামীর পথ চলা ও উত্তরোত্ত সফলতা কামনা করেছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পূর্বধলায় জাতীয়তাবাদী কারিগরি শিক্ষক পরিষদের নতুন কমিটি… সভাপতি শফিকুজ্জামান, সম্পাদক… বিপ্লব রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় জাতীয়তাবাদী কারিগরি শিক্ষক পরিষদের ১৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ‘ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ মিলনায়তনে এক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত এই কমিটিতে ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুজ্জামানকে সভাপতি এবং জারিয়া জাঞ্জাইল কারিগরি স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট বিপ্লব রানাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা হলেন , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফিরোজ মিয়া (আরবান টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট) ,সাংগঠনিক সম্পাদক- শারমিন সুলতানা ,বেনজিন কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মো: আবুল আরশাদ ,আরবান টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, কোষাধ্যক্ষ- জুবাইদুল ইসলাম ,জারিয়া জাঞ্জাইল কারিগরি স্কুল।

সম্মানিত ও কার্যকরী সদস্যরা হলেন- সৈয়দ আরিফুজ্জামান প্রিন্সিপাল ,আরবান টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা, বেনজিন কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শামীমা সুলতানা ,ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, হিরণপুর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শামীমা ইসলাম ,বেনজিন কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাউসার আহম্মেদ ,ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রিয়াজ আলম ,ইকরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাবুল মন্ডল, জারিয়া জাঞ্জাইল কারিগরি স্কুল এবং সুমন মিয়া, হিরণপুর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রমুখ।এদিকে নবগঠিত এই কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ বাবুল আলম তালুকদার।

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করেন। বিশেষ করে কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুজ্জামানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মোহাম্মদ শফিকুজ্জামানের মতো একজন যোগ্য, দক্ষ ও আদর্শবান শিক্ষাবিদকে এই কমিটির নেতৃত্ব দেওয়ায় কারিগরি শিক্ষকদের অধিকার আদায় ও পেশাগত মানোন্নয়নের আন্দোলন আরও বেগবান হবে। তাঁর হাত ধরে পূর্বধলার কারিগরি শিক্ষার অঙ্গনে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

নিজের সাংবাদিকতার পেশার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সাংবাদিকতা পেশার নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি অবগত। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দায়িত্ব পালন করছি।
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন,দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক সমাজের উদ্দেশ্যে ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র সংবাদকর্মীদের লেখনীর মাধ্যমেই জনসম্মুখে আসে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন, যা এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সাংবাদিকদের আবাসনসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান,চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ