আজঃ বৃহস্পতিবার ২১ মে, ২০২৬

রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে

রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে কঠোর নির্দেশনা চসিক মেয়রের

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাজস্ব আদায় কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক ও মাঠমুখী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সভাকক্ষে রাজস্ব বিভাগের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন খাতে রাজস্ব আদায় এখনো সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। এ অবস্থা পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান সানি, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরীসহ রাজস্ব বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় উপস্থাপিত তথ্যে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব এখনো আদায়ের বাইরে রয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি, কর ফাঁকির প্রবণতা এবং রাজস্ব বিভাগের লজিস্টিক ও জনবল সংকটকে এই অবস্থার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

সভায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় সম্ভব হয় না। যেমন রেলওয়ের ক্ষেত্রে প্রতি বছর প্রায় ২০ কোটি টাকা পাওনা থাকলেও বাজেটে কম বরাদ্দ থাকায় তা পর্যাপ্ত পরিমাণে আদায় করা যাচ্ছে না, ফলে বকেয়া জমে বাড়ছে। এভাবে জমতে জমতে রেলওয়ে থেকে পাওনা ৫৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন বলেন, রাজস্ব আদায়ে কাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে বাজেট প্রণয়নের সময় গৃহকরের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণ কর পরিশোধ করতে পারে না। এছাড়া জনবল সংকটও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রেক্ষিতে নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর কাছেও চসিকের বিপুল পরিমাণ বকেয়া রয়েছে। এসব বকেয়া আদায় না হলে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হবে না।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে বকেয়া আদায়ের জন্য অবিলম্বে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের কাছে ডিও (উঙ) লেটার প্রস্তুত করে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ফাইভ স্টার হোটেল, মার্কেট, গার্মেন্টস কারখানা ও কন্টেইনার ডিপোগুলোর হোল্ডিং ট্যাক্স দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন (রি-অ্যাসেসমেন্ট) করতে হবে।

কর আদায়ে কোনো ধরনের শিথিলতা বরদাশত করা হবে না উল্লেখ করে মেয়র বলেন, “আমি ট্যাক্সের ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেব না। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে কর পরিশোধ করছে না, তাদের তালিকা তৈরি করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি পর্যালোচনায় প্রতি মাসের শুরুতে নিয়মিত সমন্বয় সভা করে আমাকে অগ্রগতি জানাবেন।”

সভায় রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ক্যান্টনমেন্ট ও ইপিজেড এলাকায় আইনি জটিলতার কারণে কর আদায়ে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে সভায় বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি বকেয়া আদায়ে ডিও লেটার প্রেরণ, বাণিজ্যিক স্থাপনার পুনর্মূল্যায়ন, ইপিজেড এলাকার করযোগ্যতা যাচাই, বড় করখেলাপিদের তালিকা প্রণয়ন, জনবল সংকট নিরসনে পদায়ন, কর সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং কর্মীদের প্রণোদনা প্রদান।

মেয়র বলেন, “নগরবাসীর করের টাকাই নগর উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। সুশাসন, স্বচ্ছতা ও কার্যকর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সমৃদ্ধ নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।”

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মেধাবী ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-এর মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। মেধাবী, মানবিক ও নৈতিকতাসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় মেয়র বলেন, “শিক্ষা হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে না পারলে আগামী দিনের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতি মাসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা শিক্ষা খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। এটিকে আমরা ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রেণিকক্ষে সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন কোচিং বা প্রাইভেট নির্ভরতার কারণে বাড়তি সুবিধা না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যারা পিছিয়ে আছে বা চুপচাপ থাকে, তাদের বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ ও যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কিশোর গ্যাং, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিপথগামী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ এর পেছনে না ছুটিয়ে নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “একসময় শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা ছিল অনুকরণীয়। সেই হারানো দায়িত্ববোধ আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।”

পড়াশোনাকে শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে শিক্ষকদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান বা ইংরেজি বানানের মতো কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার আগ্রহ তৈরি হয়।

সভায় তিনি নিজের সাম্প্রতিক কানাডা সফরের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। মেয়র জানান, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চসিকের নার্সিং ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আকাশ, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নুরল আলম আযাদ ও বিশ্বনাথ নাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম ফারুক ও ড. চিন্ময় গুহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হক, অর্থ সম্পাদক আহমেদ শাহ আলমগীর, সহ-অর্থ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনাজ আক্তার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ওমর ফারুক, শিক্ষা গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিসেস তাহমিনা আক্তার, সহ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মিসেস আয়েশা নাজনীন, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আলম এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবালসহ শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মেয়রের শিক্ষা-বান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং চসিকের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পিসি রোডের সায়মন আইসবার ও ফকিরহাটের ওরিয়েন্ট হোটেলকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিকের অভিযান

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরি ও নোংরা পরিবেশে হোটেলের খাবার তৈরি করার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার বন্দর থানার পিসি রোডের খালপাড় ও ফকিরহাট এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

অভিযানে অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশে বিভিন্ন রাসায়নিক, নিম্নমানের রং ও ফ্লেভার ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরি ও বাজারজাত করার অপরাধে পোর্ট কানেকটিং রোডের সায়মন আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ৩৫ হাজার টাকা এবং অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি, কাঁচা ও রান্না করা মাংস অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজে একসাথে রাখা ও তৈরিকৃত দধির খোলা বাটি অস্বাস্থ্যকরভাবে নোংরা কাঁথা দিয়ে ঢেকে রাখার অপরাধে ফকিরহাটের ওরিয়েন্ট হোটেলকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ