চট্টগ্রামে জরাজীর্ণ জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে কমেছে দর্শনার্থী, সংস্কার জরুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদে জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিগত ৬০ বছরেও এই জাদুঘরে ছোঁয়া লাগেনি উন্নয়নের।এশিয়া মহাদেশে দুটি জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরের মধ্যে এই একটি জাদুঘরে একের পর এক দর্শনাথী কমে গেছে। খসে পড়ছে জাদুঘর ভবনটির দেয়ালের পলেস্তারা। জাদুঘরে একটি গ্রন্থাগার থাকলেও তার অবস্থা আরও নাজুক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জাদুঘর ভবনটির অবস্থাও অত্যন্ত জরাজীর্ণ। বৃষ্টিতে ছাদ চুইয়ে, দেয়াল বেয়ে গ্যালারিতে পানি পড়ে বললেন দায়িত্বরত এক কর্মী। গ্যালারিগুলো ধুলাবালিতে অপরিচ্ছন্ন। দেখে মনে হয় দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি কক্ষগুলোর গ্যালারিসহ প্রদর্শিত উপকরণ। কোন কোন আলোকচিত্র ছিঁড়ে পড়েছে গ্যালারির ভিতরে। অযত্ন-অবহেলায় বিবর্ণ হয়ে পড়েছে জাদুঘরে সংরক্ষিত সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলো।

তাছাড়া, জাদুঘরে জায়গা স্বল্পতার কারণে সংগৃহীত অধিকাংশ নিদর্শন গ্যালারিতে প্রদর্শন করা সম্ভব হয়নি। যার কারণে, প্রায় তিন হাজার নিদর্শন গ্রন্থাগারের পাশের স্টোরে রাখা হয়েছে । কিন্তু সেখানেও যথেষ্ট অবহেলার ছাপ দেখা গেছে। ধুলাবালি জমে নষ্ট হওয়ার পথে এসব নিদর্শন। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে অল্প সংখ্যক দর্শনার্থীকে দেখাগেছে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, রোববার ছাড়া সপ্তাহের ৬দিনই খোলা থাকে জাদুঘরটি। কিন্তু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শনার্থী আসে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছকে এক দর্শনার্থী বলেন, এই ডিজিটাল যুগে এসেও জাদুঘরের আধুনিকায়ন নেই।

পর্যাপ্ত লাইট, ফ্যান বা আলো-বাতাস নেই। নেই আসবাবপত্রে নতুনত্ব।তবে প্রায় ৬০ বছর আগে স্থাপিত ঐতিহাসিক এ জাদুঘরটি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে আজও অজানা পড়ে আছে। ছোঁয়া লাগেনি আধুনিকতার। সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানটির এখন অত্যন্ত বেহাল অবস্থা।

জাদুঘরের উপ-পরিচালক মো. আমিরুজ্জামান জাদুঘরের মূল ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অভাবেই কোন কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া লোকবলেরও সংকট রয়েছে। ফিল্ড অফিসারের পদ শূন্য থাকায় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে উপকরণ বা নিদর্শন সংগ্রহের কাজ করা যাচ্ছে না। সহকারী পরিচালকের পদও শূন্য। কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিস থেকে মেরামত-সংস্কারের কাজ করা হয়। টিকেট বিক্রির টাকাগুলোও রাজস্ব তহবিলে জমা দিতে হয়। ফলে জরুরি মেরামত কাজের জন্যও আঞ্চলিক অফিসের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়।

পর্যবেক্ষকমহল বলছেন, কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে জাদুঘরটি দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ সাধারণ মানুষের কাছে আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করা সম্ভব। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বেহাল দশার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অভাব ও লোকবল সংকটকে দুষছেন। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাপন, সাংস্কৃতিক আচার, ঐতিহ্যের নমুনা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে নির্মিত জাদুঘরটি ১৯৭৪ সালে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হয়। বর্তমানে জাদুঘরটিতে বাংলাদেশের ২৩টি জাতিগোষ্ঠীর পাশাপাশি পাকিস্তানের কয়েকটি জাতিগোষ্ঠীর নিদর্শন রয়েছে। বাঙালি জাতিসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাপন, সাংস্কৃতিক আচার, পোশাক, অলংকারের নিদর্শন রয়েছে এতে। আলোকচিত্র, মডেল, নমুনার মাধ্যমে

জাতিগোষ্ঠীগুলোর নিজস্বতা তুলে ধরা হয়েছে। জাদুঘরের কর্মকর্তারা জানান, ভারতের কয়েকটি জাতিগোষ্ঠী, জার্মানির বার্লিন প্রাচীরের টুকরো, কিরগিজস্তান, অস্ট্রেলিয়া জাতিগোষ্ঠীর কিছু নিদর্শনও রয়েছে। এক দশমিক ৩৭ একর ভূমির ওপর প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরটিতে মোট ১১টি কক্ষ রয়েছে। এক নম্বর গ্যালারির প্রথম কক্ষে রয়েছে বাঙালি জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, জীবনযাপনের বিভিন্ন চিত্র ও নমুনা। দ্বিতীয় কক্ষে উপস্থাপন করা আছে পাকিস্তানের পাঠান, পাঞ্জাবসহ চারটি জাতির পোশাক, হস্তশিল্প, অস্ত্র, বাদ্যযন্ত্রের নমুনা। জাদুঘরের কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে রয়েছে বিভিন্ন জাতির ব্যবহৃত অলংকারের নিদর্শন।
বাকি কক্ষগুলোতে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীকে তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ৩ হাজার ২০০ এর মতো নিদর্শন আছে জাদুঘরটিতে। তবে, সরকারি গেজেটে তালিকাভুক্ত প্রায় অর্ধেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধিত্ব এখানে নেই। চারটি গ্যালারিসহ ১১টি কক্ষ বিশিষ্ট জাদুঘরের প্রদর্শনীগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের ১২টিসহ দেশের ২৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সংস্কৃতি তুলে ধরে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো হলো: চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, চাক, তংচঙ্গ্যা, মুরং, খুমি, গারো, বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, মনিপুরী, খাসিয়া, ওরাওঁ, হাজং, মান্দাই, ডলু, হোদি, বোনা, পোলিয়া, কোচ, রাজবংশী, সাঁওতাল, মুন্ডা ও হো।

জানা গেছে, তিন পার্বত্য জেলায় প্রায় ১২টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী জাতিসত্তার বসবাস। অথচ জাতি তাত্ত্বিক জাদুঘরের সাথে পার্বত্যাঞ্চলের মানুষও পরিচিত নয়। খাগড়াছড়ির ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক জীতেন চাকমা বলেন, একই মন্ত্রণালয়ের হলেও জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরের সাথে তাদের তেমন কোন যোগাযোগ নেই। অথচ প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বয় বা সম্পর্ক থাকলে জাদুঘর অনেক সমৃদ্ধ হতো।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা সুরেশ মোহন ত্রিপুরা বলেন, প্রতিষ্ঠানটি মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলতে প্রচার প্রচারণার প্রয়োজন। এছাড়া জাদুঘরটিতে যেসব নিদর্শন রয়েছে বছরের পর বছর ধরে একইভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
এদিকে, জাদুঘরে পার্বত্য চট্টগ্রামের মং বা মান রাজ পরিবারের কোন তথ্য বা উপকরণ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মং রাজ পরিবারের সদস্য খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কুমার সুইচিং প্রু। তিনি বলেন, মং রাজ পরিবারের কিছুই সংগ্রহে রাখা হয়নি জাদুঘরে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৪ সালে জাদুঘরটির প্রদর্শনী উন্নয়ন, সংগ্রহ বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন নামে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। ঐ প্রকল্পের আওতায় একটি টিকিট কাউন্টার ও একটি স্যুভেনির শপ (দোকান) নির্মাণ করা হয়। জাদুঘরের ছাদ সংস্কার, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা সংযোজন ও একটি বড় জেনারেটর কেনা হয়। এ ছাড়া একটি দোতলা অফিস ভবন ও ডরমিটরি নির্মাণ করা হয়। সূত্র জানায়, মূল ভবনের বড় ধরনের কোন মেরামত কাজ হয়নি। অথচ ভবনটির মেরামত অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পিকআপ, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া এলাকার শাহজাহান আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪৫) রয়েছেন। অপর নিহতের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।আহতরা হলেন—লক্ষ্মীরহাট বাজার এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে মোটরসাইকেলচালক মো. হারুনুর রশিদ (৩৮), কিসমত কেশুরবাড়ি এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে অটোরিকশাচালক মো. সাহিরুল ইসলাম (২৩), বড় বালিয়া এলাকার মোছা. জরিনা (৪০) এবং ঠিকানা অজ্ঞাত মো. শফিকুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি মালবাহী পিকআপ কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কয়েকজন যাত্রী ও চালক আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হারুনুর রশিদ ও সাহিরুল ইসলামসহ অন্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খবর পেয়ে ভূল্লী থানার পুলিশ ও বোদা হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।এ ঘটনায় পিকআপের চালক মো. হাবিবুর রহমানকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিষকাকুড়ি গ্রামের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে। পুলিশ পিকআপসহ তাকে ভূল্লী থানায় নিয়ে গেছে।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “কচুবাড়ী এলাকায় পিকআপ, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পিকআপের চালককে গাড়িসহ আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন যোগদানের পথে দুর্ঘটনার শিকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। কর্মস্থলে যোগ দিতে আসার সময় সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কুমিরা এলাকায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটিকে একটি মিনিবাস ধাক্কা দেয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাজেদুর বলেলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। বড় কুমিরা নতুন সড়ক এলাকায় এলে পাশ থেকে একটি মিনিবাস আমাদের অ্যাম্বুলেন্সটিকে ধাক্কা দেয়। এতে এক পাশের কাচ ভেঙে যায় এবং ওই পাশটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
তিনি জানান, গাড়ির ভাঙা কাচ মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এসে পড়ে। একটি ঝাঁকুনি লাগে। পরে দুর্ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সটি রেখে চট্টগ্রাম অফিসের গাড়িতে করে নতুন কর্মস্থলে আসেন।

এর আগে গত বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলমকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজেদুরকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বদলি করা কর্মকর্তাদের ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন তারা।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ