আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ঝাঁঝ কমেছে আদা-পেঁয়াজের, কমেছে রসুনের দামও

চট্টগ্রাম বুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পাইকারী বাজারে আদা ও পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশে ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে এ চিত্র দেখা গেছে। দাম কমেছে রসুনেরও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি চার থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে এই তিন পণ্যের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে পাইকারিতে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া রসুন এখন ১৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে পণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে অন্তত ১০ টাকা। একই সময়ে কেজিতে ১৫ টাকা কমেছে আদার দাম। গত সপ্তাহে ২৫৫ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে বিক্রি হওয়া আদা এখন ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খাতুনগঞ্জে। এই তিন পণ্যের দাম কমার বিষয়ে চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, দাম হ্রাস-বৃদ্ধি নির্ভর করে সরবারহের ওপর। এখন পেঁয়াজ মোটামুটি আমদানি হচ্ছে, দামও কমতির দিকে। তাই এখানেও দাম কমেছে। আদা-রসুনেরও একই অবস্থা, আমদানি খরচ কমলে এখানেও দাম কমে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানরা গেছে, গেল মে মাসের শুরুতে কেজিপ্রতি ৭০ টাকার কম পাইকারি দরে বিক্রি হয়েছিল পেঁয়াজ। সেসময় পণ্যটির ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য টনপ্রতি ৫৫০ ডলার বেধে দেয় অন্যতম বড় রপ্তানিকারক ভারত। সেসময় পেঁয়াজের ওপর ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কও আরোপ করে দেশটি। এতে ভারত থেকে আমদানি হলেও রাতারাতি দেশের বাজারে ৯০ টাকা পেরিয়ে যায় পণ্যটির দাম। এরপরের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম বেড়ে সোয়া একশ টাকায় পৌঁছে যায়। শুল্ক ও ন্যূনতম রপ্তানি মূল্যের শর্তে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেশি পড়ায় চলতি অর্থবছরের শুরুতে পাকিস্তান, চীন, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। তবে এরমধ্যে গেল মাসে ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য তুলে নেওয়ার পাশাপাশি শুল্ক ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করে ভারত। এতে ফের ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির দিকে ঝুঁকে ব্যবসায়ীরা। পণ্যটির দাম কমে খাতুনগঞ্জে। বুধবার (গতকাল) খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে ৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এখন ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর ৯২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ভারতীয় পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৮ টাকা কেজি দরে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ