বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

তাদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও হাসপাতাল খুবই অপ্রতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও হাসপাতাল খুবই অপ্রতুল। ফলে অনেকেই যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। আবার সার্মথ্য না থাকায় চিকিৎসার অভাবে অনেক রোগী মারা যায়। জন চেতনা বাড়ানো ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। পাবনায় কিডনি ফাউন্ডেশনের নবম বার্ষিক সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের এ তথ্য জানানো হয়।

ডায়ালসিসের আগেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন করা গেলে রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। পাবনার বনগ্রামে অনুষ্ঠিন এ বৈজ্ঞানিক সেমিনারে চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ চিহ্নিত করা গেলে রোগী সহজেই সুস্থ হতে পারে। ডায়ালসিসের আগেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করলে রোগী তুলনামূলক বেশিদিন সুস্থভাবে বাঁচতে পারে।

বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইন্সটিটিউট পাবনার সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ সাকিব উজ জামান আরেফিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দেশবরেণ্য কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ হারুন অর-রশিদ।

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের নীতিমালা, চিকিৎসার বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরার পাশাপাশি নবীন চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ডাঃ আবু সাঈদ, অধ্যাপক ডাঃ খাজা নাজিমুদ্দিন, অধ্যাপক ডাঃ এ এইচ এম রওশন, কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক টিনি ফেরদৌস রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ হারুন অর রশিদ বলেন, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসায় এই রোগ মোকাবেলা সম্ভব।

ইনসেপ্টা ও কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ব্যয়বহুল কিডনি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সচেতনতা সৃষ্টিতে পাবনায় সায়েন্টিফিক সেমিনারে পাবনার ৬০ জন নবীন চিকিৎসক ছাড়াও শতাধিক কিডনি রোগী ও রোগীর স্বজন অংশ নেন।এ সময় কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সচেতনতা, একিউট কিডনি ইনজুরি, ফ্যাটি লিভার ডিজিস, গোসেরুলোনেফ্রাইটিস আধুনিক ব্যাবস্থাপনা বিষয়ে ধারণা দেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৯ দিন পর মৃত্যুর কাছে হার মানলো সড়ক দূর্ঘটনায় আহত কলেজছাত্র হৃদয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার নয় দিন পর ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় (২০) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় সে।
নিহত ইমতিয়াজ উদ্দিন লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়াজান মাস্টারপাড়ার মো. লোকমানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বান্দরবান সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী ইমতিয়াজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার পর আহত কলেজছাত্রের পরিবারকে মামলা করার জন্য বলা হয়েছিল। তবে রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা তখন মামলা করতে পারেনি। মঙ্গলবারও তাদের মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার দিনই বাসটি জব্দ করা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে বাসটির চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান সরকারি কলেজে যাচ্ছিলেন ইমতিয়াজ। পথে সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা ইউনিয়নের শিশুতল বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঈগল পরিবহনের একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পথচারীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আইসিইউতে নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ঈগল পরিবহনের বাসটি সাতকানিয়া অতিক্রম করে লোহাগাড়া এলাকায় গিয়ে মহাসড়কের পাশে রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। পরে দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ বাসটি জব্দ করে।

বোয়ালখালীতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাদক বিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে ১২ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ মোঃ করিম (৪৮) এবং মাদক সেবনের অপরাধে জয় দে (২৬) ও রাজীব নাথকে ৭ দিনে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা সহ অনাদায়ে আর ও ২দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) মোঃ জুয়েল রানার নেতৃত্বে বোয়ালখালী থানার একদল পুলিশ ১২ লিটার চোলাই মদসহ শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা গোলক কানুন বাজারের পূর্ব পার্শ্বে হামিদিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রীজের উপর থেকে মোঃকরিমকে এবং ৪নং শাকপুরা ইউনিয়নের পূর্ব শাকপুরা এলাকা থেকে জয় দে (২৬) ও রাজীব নাথকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মোঃকরিম ৮নং শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা গোলক কানুন বাজারের ০৮নং ওয়ার্ডের মমিন সাহেবের বাড়ীর মৃত আব্দুল হকের পুত্র এবং জয় দে
পূর্ব শাকপুরা এলাকার মৃত বাবুল দে’র পুত্র ও রাজীব নাথ উত্তর কঞ্জুরী এলাকার মৃত রতন নাথের পুত্র।

বোয়লখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন,আসামীদের বিধি মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কট এর মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ