আজঃ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রকৃতি ও ফুল

সুশীল মজুমদার

নায়েবেরপুল , চরফ্যাশন , ভোলা বাংলাদেশ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমের মুকুল সকল বকুল
সব ফুটেছে আজ।
রঙিন করে তুলবে ওরা
এই পৃথিবী আজ ।

বনে বনে গানে গানে
সব পাখিদের সুর
ফুলের বনে ছড়িয়ে দিচ্ছে
সকল অন্তঃপুর ।

বন পাখিরা মধুর সুরে
গাইছে উদাস গান,
তারই সুরে জেগেছে আজ
প্রকৃতির এই প্রাণ ।

কাঁঠালি ফুল ঘ্রান ছুঁড়েছে
ঐতো কাঁঠাল বনে ,
বাঁশের বনে চাঁদ উঠেছে
হাসছে চাঁদ বদনে ।

পথের ধারে সারে সারে
ফুটছে নানান ফুল
নাম জানিনা রঙ চিনিনা
দেখে হই মশগুল ।

সরিষা ফুলের রঙের মতো
দোদুল ফুলের রঙ ,
হিংসে ভুলে প্রকৃতি আজ
করেছে যে অঙ্কন ।

শিমুল ফুলে জবা ফুলে
রঙ করেছে এক ,
লাল গোলাপে পাপড়ি মেলে
বলছে কেমন দেখ !

এতো ফুলের ছড়া ছড়ি
এতো পাখির গান ,
না কোনো আজ দিচ্ছে সাড়া
শহীদ ভাইদের প্রাণ ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

:খ তোমায় দিয়ে দিলাম ছুটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দু:খ তোমায় দিয়ে দিলাম ছুটি আর কখনো ফিরে এলে চেপে ধরবো টুটি।
এক জীবনে ক’বার আসবে
লজ্জা কি তোর নাই?
অন্য কোথাও পাত্তা পাও না
আমাতে নাও ঠাই?
আবার ফিরে এলে বেটা দেখবি ঠেলা কারে কয়,
কত বার তোর কাছে মানব
পরাজয়?
আমাকে নরম পেয়ে চেপে ধরো ঘাড়ে
সন্তান যদি কস্ট দেয় ফেলে দিব তারে?
সব যদি না পারি তবে কিসের পিতা আমি,
কস্ট দিয়েও শান্তি পেলে কি আসে যায় তাতে,
প্রার্থনা মোর
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।

আশার তরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুখের আশা করেও যখন
পায়না কেউ সুখ ,
দুঃখ কষ্ট সঙ্গী করে
বেঁধে রাখে বুক ।

সুখের আশায় বেয়ে বেয়ে
জীবন নদী বায় ,
জানেনা কেউ সূখের তরী
ভিড়বে কিনা গাঁয় ।

আশায় নাকি মানুষ বাঁচে
সঙ্গী সবার আশা ,
আশায নাকি ভরসা করে
বেঁচে থাকে চাষা ।

ছাড়েনা আশা বলেনা ভাষা
কষ্টের ডিঙ্গা বায় ,
আশার উপর ভরসা করে
জীবন টা কাটায় ।

সুখ পাখিটা কেমন জানি
বুঝলাম নাতো ভবে ,
দুঃখের সাথে বসত করে
বেঁচে আছি নভেঃ ।

আসলে কী সুখ পাখিটা
মরিচীকা মন ,
আশার তরী বেয়ে বেয়ে
কাটছে জীবন ক্ষণ ।

আলোচিত খবর

গ্রীন পোর্ট হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, এটা বড় ধরনের মাইলফলক : চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর গ্রীন পোর্ট হবে, এটা বড় ধরনের মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের বোর্ড রুমে পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এনবিআর, কাস্টমস ও পোর্ট সংক্রান্ত সব সেবার জন্য পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই) চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরের অটোমেশনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করছি।

চুয়েট অত্যন্ত সহযোগিতা করেছে।পুরো টিম এ জটিল কাজটি সময়মতো সুচারুরূপে করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর সব পোর্ট ডিজিটাল, অটোমেটেড হয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল করিডোরে যে ট্রানজেকশন হচ্ছে লজিস্টিক সেক্টরে সেটি থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে ছিলাম।
অনেকে বলে আমাদের তো টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম আছে, এনবিআরের অ্যাসাইকুডা সিস্টেম আছে। কিন্তু প্র্যাক্টিক্যালি আমাদের পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো ছিল না।একটা ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে পুরো দেশের জন্য। সেটি এনবিআর করছে।

বন্দর চেয়ারম্যানবলেন,আরেকটি মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে। ডিজি শিপিং করছে। আমরা যেটি করেছি সেটি হচ্ছে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম। এখানে সব সংস্থা সংযুক্ত। এক প্লাটফর্মে এসেছে।আগে যে কাজগুলো ফিজিক্যালি করতে হতো, টেবিলে, ডেস্কে, কাস্টমস, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডের কাছে যেতে হতো এখন এই কাজগুলো ডিজিটাল প্লাটফর্মে হচ্ছে। যার ফলে আগে যে কাজে পাঁচ দিন লাগত এখন তা আধঘণ্টায় হবে। এতে আমাদের সময় বেঁচে যাবে, ফার্স্ট হবে, কার্গো, ডেলিভারি, জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম অনেক কমে আসবে। এতে আমাদের মুভমেন্ট কমে যাবে।

গ্রীন পোর্ট হবে। এটা বড় ধরনের মাইলফলক। সারা পৃথিবী জেনে যাবে আমাদের চট্টগ্রাম পোর্ট ডিজিটাল পোর্ট হয়ে গেল এবং আন্তর্জাতিক মানের প্লাটফর্মে, ডিজিটাল মেরিটাইম লজিস্টিক করিডোরে আমরা ডাইরেক্ট কানেক্টেড হলাম। কাস্টমসের ইজিএম, আইজিএম কাজগুলো এটার মাধ্যমে করা যাবে। প্রিঅ্যারাইভাল প্রসিডিওর হবে।

তিনি বলেন,আগে আমদানি পণ্য দেশে আনার পর ডেলিভারি প্রক্রিয়া শুরু হতো। কাস্টমস ফরমালিটি, গেটপাস করে ডেলিভারি হতো। এখন লোড পোর্ট থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে হবে। আর কোনো টেনশন থাকলো না। ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন যেখান থেকে ইচ্ছে কাজগুলো করা যাবে। আমাদের অফিশিয়াল ফাংশন হবে ডিজিটাল। আমরা পেপারলেস হয়ে যাব। আমি বলে দিয়েছি, আমি টেবিলে পেপার দেখতে চাই না। আর কিছু দিন সময় লাগবে অভ্যস্ত হতে।

বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, নতুন সিস্টেমে অ্যাকাউন্টবিলিটি নিশ্চিত হবে। আগে অ্যাকাউন্টিবিলিটির প্রশ্ন থাকত, অনেক সময় মিস ম্যানেজমেন্ট হতো, ডেলিভারি ডিলে হতো এর কারণে ভোক্তারা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতো। এখন আমাদের কার্গো, টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমসহ টোটাল প্রোডাক্টিভিটি এখন যা আছে সবই বেড়ে যাবে। এ প্লাটফরম ভবিষ্যতের দ্বার খুলে দিল। যার সুফল ৫০-১০০ বছর এদেশের মানুষ পাবেন।

তিনি বলেন, পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডোর হেল্প ডেস্ক রাখব। কয়েকটা ক্যাম্পেইন করেছি। এজেন্ট ডেস্ক করেছি। এ সেবার জন্য ন্যূনতম চার্জ দিতে হবে। ঢাকা চট্টগ্রামে কল সেন্টারের মতো এজেন্ট ডেস্ক হওয়া উচিত। এ সুবিধা না থাকলে যে কাজে পাঁচ সাত দিন লাগত তা আধঘণ্টায় হয়ে যাবে। অনেক খরচ সাশ্রয় হবে। সব মিলে আমি বলবো এটি বাস্তবমুখী, যুগান্তকারী এবং ব্যবহার উপযোগী প্লাটফর্ম।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ