আজঃ শনিবার ৪ এপ্রিল, ২০২৬

মজুদ থাকা জ্বালানিতে চলবে ১৫ দিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ২৯ জোড়া ট্রেনে প্রতিদিন জ্বালানি প্রয়োজন ৮৩ হাজার লিটার।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ও সংকট তৈরি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তা ও সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়তে পারে ট্রেন চলাচলে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করে আরও ৩০ জোড়া। সর্বমোট ২৯ জোড়া ট্রেন চলাচল করে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তথ্যমতে, পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য পূর্বাঞ্চলে প্রতি মাসে ২৫ লাখ লিটার হাইস্পিড ডিজেল প্রয়োজন হয়। এ হিসাবে প্রতিদিন জ্বালানি লাগে ৮৩ হাজার লিটার।
রেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ট্রেন পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে মজুদ থাকা ডিজেল দিয়ে ১৫ দিনের বেশি ট্রেন চালানো যাবে।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান গণপরিবহন হিসাবে রেলে সংকট নেই। জ্বালানির মজুদ কিছুটা কমে গেছে। জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এখনও ১৫-১৬ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত প্রায় এক মাসের জ্বালানি মজুদ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বাঞ্চলের জ্বালানির মজুদ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৫-১৬ দিনের জন্য প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লিটার ডিজেল মজুদ আছে। তবে কিছুটা অনিয়মিত হলেও বিপিসির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।

ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয় বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্কলারশিপ এ্যাওয়ার্ড পেলেন সিআইইউ’র মেধাবী শিক্ষার্থীরা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান করেছে কোরিয়ান শিল্পগোষ্ঠী ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন। “ইয়ংওয়ান-সিআইইউ একাডেমিক এক্সিলেন্স স্কলারশিপ প্রোগ্রাম” এর আওতায় অ্যাওয়া র্ড প্রদান অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকালে কোরিয়ান ইপিজেড এলাকাস্থ ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের হাতে স্কলারশিপ সনদ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সন্মানিত অতিথি ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী (সিইও) কিহাক সুং।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কোরিয়ান ইপিজেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্ণেল (অবঃ) মোহাম্মদ শাহজাহান। আরো বক্তব্য প্রদান করেন, ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী জনাব কিহাক সুং, সিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক প্রমুখ। সিআইইউ’র সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

এসময় সেখানে সিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, সিআইইউ’র বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ শাহিনুর রহমানসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন এবং চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) মধ্যকার এক সমঝোতা স্মারক চুক্তির বাস্তব রুপায়নে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন সিআইইউ’র শিক্ষার্থীদের জন্য বাৎসরিক স্কলারশিপের অংশ হিসেবে এক কোটি নয় লাখ ষাট হাজার টাকা প্রদান করে।

এই স্কলারশিপের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিএসসি ইন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম এবং ব্যবসায় অনুষদের বিবিএ প্রোগ্রাম থেকে মোট ১৬জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন করা হয়। মর্যাদাপূর্ণ এই স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা পুরো আন্ডার গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট সিজিপিএ বজায় রাখা সাপেক্ষে শতভাগ টিউশন ফি মওকুফসহ বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে।

এই শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠক্রমের অংশ হিসেবে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনে ইন্টার্ণশিপের সুযোগ পাবে এবং এর সফল সমাপ্তি শেষে সেখানেই চাকুরীতে যোগদান করবে। সেইসাথে তাদেরকে মেন্টরশিপ সুবিধা এবং কোরিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করা হবে। ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের সৌজন্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে আগামী মাসে কোরিয়ায় একটি শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণের জন্য নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে : সিএমপি কমিশনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নতুন কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ঘোষণা দিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাস দমনে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ কর্মসূচি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নগরীকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।বৃহস্পতিবার সিএমপি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগরীতে মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ।

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কমিশনার বলেন, মানুষ যাতে নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এ সময় কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করে বলেন,

নগরবাসীকে একটি স্বস্তির ও সুন্দর নগরজীবন উপহার দিতে কাজ করছে পুলিশ। চট্টগ্রামকে একটি ‘সেইফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশনার বলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। একইভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিক অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও ছিনতাইয়ের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

পুলিশের ভেতরে অনিয়ম-অপরাধের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরকে একটি নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নগরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

আলোচিত খবর

সরকারি- বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, শপিংমল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পর রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ