আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

গৌরীপুর ছাত্র ইউনিয়নের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষার অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, সমাজ প্রগতির লড়াইয়ের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র গণ-সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। প্রতিষ্ঠবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদীচী ভবন থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উদীচী ভবনে গিয়ে শেষ হয়।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের সাংবাদিক সুরেশ কৈরি সড়কের স্থানীয় উদীচী ভবনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।ছাত্র ইউনিয়ন গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আলী হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি গৌরীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হারুন-আল-বারী, উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান ফকির, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসনাত, ছাত্র ইউনিয়ন উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ওবায়দুর রহমান, সাবেক সভাপতি আলী আশরাফ আবীর, ময়মনসিংহ শহর কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান শুভ, উপজেলা শাখার সাবেক সদস্য এস সুমন, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য শান্ত দত্ত, উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অর্পিতা কবির এ্যানি প্রমুখ।
আলোচনা শেষে ১০ মে গৌরীপুর উপজেলা শাখার ১৯ তম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়। সম্মেলনে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট সম্মেলন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান সালমান মিয়া, আহবায়ক অর্পিতা কবির এ্যানি, যুগ্ম আহবায়ক রেদুয়ান আহমেদ।
উল্লেখ্য, ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ ও রক্তাক্ত ইতিহাসের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার, সাম্রাজ্যবাদ, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনকে সংগঠিত করার আহবান নিয়ে ১৯৫২ সালের ২৬ এপ্রিল গড়ে উঠে তৎকালীন ‘পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন’। স্বাধীনতাত্তোর প্রগতিশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

স্বৈরাচার সরকারের স্বৈরাচারী মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে: ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ শেষ হওয়া প্রসঙ্গে বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটা স্বৈরাচার সরকারের স্বৈরাচারী মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০২৯ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ আমার মেয়াদ শেষ হবে। এর আগে নয়। তারপরও আমি নির্বাচন চাই।তফসিল ঘোষণা হলে যদি দল আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করে পদত্যাগ করবো।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হালিশহর এইচ ব্লকে পার্ক ও ওয়াকওয়ের সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত গণতান্ত্রিক মানুষ। ১৬ বছর আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি।

ফাইট করে এ পর্যায়ে এসেছি। আদালত যে রায় দিয়েছেন তা ঐতিহাসিক। ২০২১ সালে হাত পা বেঁধে সাঁতার কাটতে দিয়েছিল। আমার এজেন্ট, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে।ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে দেখি মেয়ে এজেন্টদের মেরেছে, তারা কান্নাকাটি করতে দেখেছি। পুলিশের সামনে মেরে বের করে দিয়েছে। ভীতিকর পরিস্থিতির নির্বাচন যখন নির্যাতনে পরিণত হয়েছিল তখন আমি ফাইট করেছি। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমাকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালের নির্বাচন আরও ভীতিকর ছিল।
ইভিএমে ভোট হয়েছিল, প্রিন্টেড কপি না দিয়ে তারা আমাকে হাতে লিখে রেজাল্ট দিয়েছিল। আমি বলেছি প্রিন্টেড কপি দাও, যদি আমি হারি গ্রহণ করবো। তারা দিতে পারেনি। তাই আমি মামলা করেছিলাম। আমি রোগী দেখছি, হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে। আমার পিএস মারুফক কথা বলতে এসেছিল, তাকেসহ জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। আমি তিন বছর ফাইট করেছি। তারা হার্ডডিস্কসহ সব পুড়িয়ে ফেলেছিল। ইলেকশনের দিন রাতেই নাকি তারা পুড়িয়ে ফেলেছিল।

আদালতের রায় এমন ছিল, রেজাউল করিমের আমল সম্পূর্ণ অবৈধ। তার অর্থ আমি যেদিন শপথ নিয়েছি সেদিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য আমাকে মনোনিত করেছে। আমাকে সরকার ডিপ্লোমেটিক পাসপোর্ট দিয়েছে, তার মেয়াদ পাঁচ বছর। একটা স্বৈরাচার সরকারের স্বৈরাচারী মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০২৯ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ আমার মেয়াদ শেষ হবে। এর আগে নয়। তারপরও আমি নির্বাচন চাই। আমি ৩৯-৪০ বছর রাজনৈতিক জীবন আমার। ছাত্রদলের সভাপতির পদ দিয়ে রাজনীতি শুরু করেছিলাম। সদস্য থেকে না। আমার জীবনে একটা অনুশোচনা এখনো পর্যন্ত উৎসবমুখর নির্বাচন ফেইস করতে পারিনি। গত ১৬ বছর নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। ১৬ বছরে দুটো নির্বাচন করেছিলাম, সেখানে নির্বাচনের নামে নির্যাতন করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, আমি জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চাই। আমি এখনো জানি না, চট্টগ্রাম শহরে ২২ লাখ ভোটার আছে। আমি এখনো জানি না, আমাকে শহরের ২ লাখ মানুষ চায়, নাকি ১০ লাখ মানুষ চায়। পুরো রাজনীতি করে এটাই হবে আমার প্রাপ্তি কত লাখ মানুষ আমাকে চায়। অথবা আদৌ চায় কিনা। তাই গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভোট চাই। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ইতিহাসে অন্যতম চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। আজকে অনেকে বলে বিএনপি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। আমি স্পষ্ট বলতে চাই, আমি সরকারের একটি অংশে ছিলাম এবং আছি। আমি দেখেছি, সরকারের অনেক উপদেষ্টা চেষ্টা করেছিলেন বিএনপিকে কীভাবে হারানো যায় সে জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চেয়েছিল। কিন্তু মহান রাব্বুল আলামিন নির্ধারিত করে রেখেছে দেশনায়ক তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করবেন।

জনগণ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে দেখিয়ে দিয়েছে বিএনপিকে কতটুকু জনপ্রিয়। তারেক রহমান পলোগ্রাউন্ড মাঠে ২৩টি আসনে সমাবেশ করেছে, ২১টি আসনে জিতেছে। বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে বাঁশখালীতেও বিএনপি জিতত। তারেক রহমানের ক্যারিশমাটিক পাওয়ার আছে। উনি যদি কুড়িগ্রাম, নীলফামারী যেতেন সেখানেও অনেক ভোট পেত বিএনপি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমিই একমাত্র বাংলাদেশের একমাত্র মেয়র। আদালত আমাকে অর্ডার দিয়েছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। আমি বলছি, নির্বাচন চাই। এখন দায়িত্ব এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের।

আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন। শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকায় নির্বাচন হওয়া উচিত, কারণ কাউন্সিলর না থাকাতে জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে। এলজিআরডি মন্ত্রণালয় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত থাকতে হবে। আমি না থাকলে চালাবে কে। শহরটাতো এতিম হয়ে যাবে। প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রশাসক বদলি করে মেয়র দিয়েছে। মেয়র বদল করে প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আমি চাই সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। যে নির্বাচনের প্রতীক্ষা আমি করছি। ২০২১ সালে যখন আমি নির্বাচন করেছিলাম তখন আমার দলের সেক্রেটারি আবুল হাশেম বক্কর, বর্তমান সভাপতি এরশাদ উল্লাহসহ একজন নারী প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিল।

সবার রাইট আছে। দল কাকে দিচ্ছে সেটি দলের চিন্তাভাবনা আছে। সবাইকে তো এমপি দেয়নি। যাচাই বাছাই করে দিয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবেন। দল যদি আমাকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করে, আমি প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি মনে করি, ১৬ বছর জনগণের সঙ্গে খুব ক্লোজলি থেকেছি। জনগণ নির্ধারণ করবে কাকে ভোট দেবেন। তফসিল ঘোষণা হলে যদি দল আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করে পদত্যাগ করবো।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ